যদি ওর সাথে আমাকে সংসার করতে বলেন তাহলে আমি নিজের জীবন

আমাকে রেখে এখন তুমি আমার ছোট বোনের দিকে নজর দিয়েছো? তাই তো বলি আমাকে কেনো তোমার ভালো লাগেনা! আব্বু, আম্মু, চাচা, চাচি তোমরা সবাই এসে দেখে যাও তোমাদের আদুরের জামাই কি করছে? (তসিবা) (তখনি তসিবার ডাক শুনে বাসার সবাই নিচে এসে জ্বরো হয়েছে) আমি:- তসিবা তোমার মাথায় সত্যি কোনো গন্ডগুল আছে নাকী? তসিবা:- ঐ আমার মাথা ঠিক আছে আপনি তো রিপার সাথে দাঁড়িয়ে ছিঃ ছিঃ আমার মুখে কথাটা বলতে লজ্জা করছে।

আমি:- চুপ থাকো চোখ সব সময় সত্যিটা দেখেনা আমি তো রিপার চোখে ময়লা পড়ছে ঐটা পরিস্কার করতে হেল্প করছিলাম। আগে ভালো করে বুঝবে তারপর কথা বলবে। শ্বশুড়:- রিপা জামাই যা বলছে তা ঠিক বলছে? রিপা:- হ্যা দুলাভাইকে আমি বলছি চোখের ময়লাটা পরিস্কার করে দিতে। শ্বশুড়:- জামাই বাবাজ্বি তুমি কিছু মনে করোনা! আসলে আমাদের বুঝা দরকার ছিলো তুমি অফিসে যাও। আমি:- ঠিক আছে! আমি কোনো কথা না বাড়িয়ে সোজা বেড়িয়ে আসলাম অফিসে যাবো বলে।

বাইক নিয়ে অফিসে এসেছি সবার সাথে হাই হ্যালো বলে কাজে মন দিলাম। ছুটির পর কাজ করতে কিছুটা বিরক্তি লাগে। আজ একটু তাড়াতাড়ি বেড়িয়ে এলাম অফিস থেকে। বাইক নিয়ে আসতেছি তখনি খেয়াল করেছি তসিবা দাঁড়িয়ে কথা বলছে কিছু ছেলে মেয়েদের সাথে। আমি ইচ্ছে করে এগিয়ে গিয়ে গেছি তসিবার সামনে আমাকে তসিবা দেখে না চেনার বান করে ওদের সাথে কথা বলছে।

আমি নিজে থেকেই তসিবাকে বলি,,, তসিবা তুমি বাসায় যাবে চলে আমিও বাসায় যাচ্ছি। তসিবা:- কে আপনি? আপনার সাথে আমি বাসায় যাবো কেনো? আমি:- মানে আমি তো তোমার হাজবেন্ট তুমি আমাবে চিন্তে পারছোনা? তখনি ওর সাথে দাঁড়িয়ে থাকা সবাই বলতেছে,,, মানে তসিবার বিয়ে হয়ছে? বাহ তসিবা তুই আমাদের জানাসনি যে তোর বিয়ে হয়ে গেছে। তসিবা:- আরে তোরা কিরে? এই কে আপনি আমাকে বউ বলছেন কেনো? আপনাকে তো আমি চিনি না। আমি:- এখুনি চিনাচ্ছি পকেট থেকে মোবাইল বের করে আমাদের বিয়ের ছবি গুলি সবাইকে দেখাতে লাগলাম। তসিবা রেগে আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে।

ছিঃ ছিঃ তসিবা তুই এমন নিজের বিয়ে হয়েছে তুই বলতে চাসনি। তোর বরটা তো খুব ভালো ওর মত একটা ছেলেকে তুই বর হিসাবে পরিচয় দিতে রাজি হচ্ছিস না। তসিবা:- হ্যা খালি চেহারাটা আছে আর কিছুই নেই। আমার আব্বুর কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঘুশ দিয়ে চাকরি নিয়েছে। নিজের যোগ্যতা বলতে কিছুই নেই যা কিছু দেখছিস সব আমার বাবার টাকায় কেনা। আমি:- তোমাকে বিয়ে করার জন্য আমি কিছুই নেইনি বরং তোমার বাবা চালাকি করে আমার বাবাকে টাকা দিয়েছে যাতে করে তোমার মত একটা পেত্নিকে আমার ঘারে চাপাতে পারে।

তোমার ভাগ্য ভালো আমার মত সুন্দর দেখতে একটা বর পেয়েছো। তসিবা:- তোমার সাথে রাস্তায় ঝগড়া করবোনা আজকে বাড়ীতে এসো আমাকে অপমান করার শাস্তি তুমি পাবে। আমি:- ঠিক আছে এখন আসো আমি বাড়ীতে যাবো তোমাকে আমি নিয়ে যাই। তসিবা:- তোমার সাথে আমি যাবো ভাবলে কি করে? আমি:- তুমি তো যাবেই বলে আমি তসিবার হাত ধরেছি তখনি তসিবা হাত ছাড়িয়ে নিতে চাইছে কিন্তু পারছেনা। তসিবা:- কি হচ্ছে হাতটা ছারবে নাকী থাপ্পড় খাবে।

আমি:- তোমার হাত আমার গাল শুধু মাত্র আদর করার জন্য উঠবে। থাপ্পড় দেওয়ার জন্য কোনো দিন উঠে তাহলে তুমি নিজেই প্রস্থাবে। অনেক ঝগড়া হয়ছে রাস্তায় মানুষজন সবাই তাকিয়ে আছে। (তখনি তসিবা আমার দিকে রাগি চোখে তাকিয়ে গিয়ে বাইকে বসেছে) তসিবা:- বাইকে যদি একটা ব্রেক মারো রাস্তায় তাহলে তোমার খবর আছে। আমি:- তুমি কি করবে আমার জানা আছে এখন চুপ করে বসো। তসিবা বসে আছে আমি বাইক চালাচ্ছি আজকে একটু বেশি ভালো লাগছে তসিবাকে আমার প্রেমে ফেলতে হবে। বাড়ীর সামনে চলে আসছি তসিবা নামো।

তসিবা:- ধন্যবাদ আমাকে বাড়ীতে আনার জন্য তবে আজকে তোমার কপালে খারাপি আছে। এসো সোনা বাসার ভীতরে এসো আজকে তোমাকে আমি অনেক আদর যত্ন করবো। আমি:- ওমা তাই ঠিক আছে তাহলে তুমি যাও আমি একটু আসতেছি। তসিবা ভীতরে চলে গেছে আমি বাইকটা রেখে ভীতরে ঢুকে দেখি তসিবা কান্না করছে আর সবাইকে বানিয়ে বানিয়ে বলছে,,, তসিবা:- তোমাদের জামাই আমার সাথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঝগড়া করছে আমাকে সবার সামনে অনেক অপমান করছে।

আমাকে নাকী জোর করে ওর সাথে বিয়ে দিয়েছেন আরো কি সব বানিয়ে বলছে আমি তো তসিবাে দিকে তাকিয়ে আছি। আমি ওর মত ফালতু ছেলের সাথে সংসার করবোনা আমি ওকে ডির্ভোস দিবো। শ্বশুড়:- মাত্র এক মাসের কম সময়ে ডির্ভোস দিবি মানে? সৌরভ তুমি তসিবাকে ডির্ভোস দিবে? আমি:- বিয়ে করেছি কি ডির্ভোস দেওয়ার জন্য নাকী। তসিবা:- আব্বু চুক্তি অনুযায়ী আপনি ওকে জেলের ভাত খাওয়াবেন। আমি ওকে ডির্ভোস দিবো আমাকে আমার বান্ধবীদের সামনে অপমান করছে।

যদি ওর সাথে আমাকে সংসার করতে বলেন তাহলে আমি নিজের জীবন নিজেই দিয়ে দিবো বলে টেবিলে পরে থাকা চাকুটা হাতে নিয়ে ওর গলায় ধরেছে। আমি:- তসিবা থামো আমি রাজি আছি তোমাকে ডির্ভোস দিতে প্লিজ চাকুটা সরাও পাগলামি বন্ধ করো। তসিবা:- তাহলে কাল সকালে তুমি ডির্ডোস দিবে আমাকে আর চুক্তি অনুযায়ী তুমি আমার সব কিছু মেনে নিবে। আমি:- ঠিক আছে তাই হবে তখনি চাকুটা নামিয়েছে। তসিবা:- তুমি এখুনি আমার সামনে থেকে চলে যাবে আর কাল সকালে উকিলের কাছে এসে নিজেকে আত্মসমার্পন করবে। আমি:- ঠিক আছে তাই হবে বলে আমি রুমে গিয়ে আমার কাপড় আর ব্যাগ গুচিয়ে নিয়েছি

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *