পাট খড়ি দিয়ে রান্না করবেন এবং খবর পেয়ে ছবি তুলতে হবে

0
39

পাট খড়ি দিয়ে রান্না করবেন এবং খবর পেয়ে ছবি তুলতে হবে। হ্যালো ময়না, তোমার তো কোন খোঁজখবর নেই? তুমি তো আমাকে মোটরসাইকেল কিনে দিতে চেয়েছো। কিন্তু এ ব্যাপারে তোমার কোন খোঁজ খবর পেলাম না। বর্তমান সময়ের কাঁচা মরিচে অনেক ঝাল।

একটা পাখি মুরগিকে দেওয়া ভাত গুলো খাচ্ছে। আর আমাদের মুরগি গুলো অলস সময় পার করতেছে। তাই এই মুরগিগুলোকে আর বেশি দিন রাখা সম্ভব হবেনা। গতকাল বাজারে হরেক রকমের সবজি বিক্রি করতে গিয়েছিলাম।

আমার সামনে অনেকগুলো পেঁপে গাছ। একজন মানুষ অনেকগুলো গাছ নিয়ে একটি যানবাহন চালাচ্ছে। কয়েকদিন ধরে আকাশ অনেক মেঘাচ্ছন্ন। কিন্তু নিয়ম মত বৃষ্টি হচ্ছে না। এখন যদি সায়মন বাসায় থাকতো তাহলে অনেক কোলাহল থাকতো।

একটু আগে একটা লোক চশমা চোখে এগিয়ে যাচ্ছিল। তার পাশে দুটো মেয়ে যাচ্ছে। তোমার মত বোরকা পরা একটা মেয়ে আমার সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছে। কিন্তু আমি তাকে যথেষ্ট সম্মান দিচ্ছি। আমাদের মুরগি গুলো দিন দিন জমিদার হয়ে যাচ্ছে।

নীল শার্ট পরে একজন ব্যক্তি সাইকেলে দুটো বস্তা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেখে মনে হচ্ছে বাজারে কোন কাজের জন্য যাচ্ছে। এত কষ্টের মাঝেও তিনি একটি মোবাইল ব্যবহার করতে পারছেন। আসলেই আমাদের দেশটা এগিয়ে যাচ্ছে।

প্রচন্ড বৃষ্টি পড়ার পর আমাদের এলাকায় অনেক ঠান্ডা অনুভূত হয়। তবে যদি বৃষ্টিটা সন্ধ্যার সময় হয় তবে সেটি আমাদের জন্য অনেক ভালো। কারণ রাত্রে আমাদের এলাকায় বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে।

আমাদের বাসার পিছনে পাট খড়ি রাখার জন্য একটি ঘর রয়েছে। বৃষ্টির সময় মুরগি গুলো সেই ঘরে আশ্রয় নেয়। যা দেখতে অনেক মনমুগ্ধকর মনে হয়। আগে যখন আমাদের পেছনের ঘরের দরজা খোলা ছিল।

মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেল যখন আমি বাসায় ঢুকলাম। টাওয়ারে এত শক্ত তার লাগিয়েছে যে গাছ হেলে পড়ার পরেও তার কিছুই হয়নি। আমার মনে হয় সেগুলো অনেক দামি। আপনার কি তাই মনে হয়? চিৎকার করে হাঁটতে শুরু করলাম।

আমার স্ত্রীর সিদ্ধান্ত হলো আমরা এখন আর কোথাও বেড়াতে যাব না। এত টাকা পয়সা খরচ করে কি বার বার বাহিরে বের হওয়া উচিত? একটি মুরগির চারটি বাচ্চা হয়েছে। সব গুলো দেখতে অনেক সুন্দর।

কিছুদিন আগে হাসানের আম্মু আমাকে একটি পেয়ারা দিয়েছিল। সেটি অবশ্য আমি একাই খেতে পারিনি। আমার প্রতিবেশী আপু এবং আমি দুজনে অর্ধেক করে খেয়েছিলাম। বাঁশ বাগানের ভেতর একটি মুরগি দেখতে পেলাম।

আমার হাতে এবং ঘাড়ে দুটো সাদা ব্যাক ছিল। কুকুর গুলোর কাছে আমি ছিলাম অপরিচিত। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছিল। তাই আমি এ যাত্রায় অত্যন্ত সুনিপূণভাবে বাসায় পৌঁছাতে পেরেছিলাম। এরপর থেকে আমি যাতায়াত করি।

আমি বড় হওয়ার পর অনুধাবন করতে পারি এমন টা করো আমার ঠিক হয়নি। আজকে অনেক দূরে ঘুরতে যাওয়ার মতো পরিবেশ ছিল। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে আমি কোথাও যেতে চাচ্ছিলাম না। ঢাকায় আমার রুমের ভেতরে একটি ইঁদুর রয়েছে।

মুরগি কিভাবে পাখিগুলোকে আক্রমণ করেন আমি আগে জানতাম না। ছোটবেলায় আমরা খেজুর পাতা দিয়ে অনেক খেলতাম। খেজুরের কাঁটা দিয়ে আমরা কাঁটা তোলার মতো খেলা খেলতাম। পুকুরে অনেক সময় ধরে গোসল করতাম।

রাস্তা দিয়ে একটি লোক যাচ্ছিল দেখে মনে হল আমার পূর্ব পরিচিত। এবার আমি একটি মজার ঘটনা বর্ণনা করব। তখন আমি সবেমাত্র কলেজে ভর্তি হলাম। তা দেখে আমি আর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।

আমাদের দেশের পানি অনেক ভালো। দুপুরে একবার ভাত খেয়েছি তাই এখন আর খিদে নেই। যারা দাওয়াত খেতে গেছে তারা কি আমার থেকেও ভালো খেয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে আমার আম্মু বলল না।

কচু শাক খেতে আমার অনেক পছন্দ হয়। কিন্তু সব কচু শাক একরকম হয় না। কিছু কিছু কচু শাক রয়েছে যেগুলো মুখে ব্যথা তৈরি করে। এভাবেই আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল পেয়ে থাকি।

অনেক আগেই প্রজাপতি আমাকে একটি গোলাপ ফুল দিয়েছিল। বড় বড় গোলাপ ফুল গুলো দেখতে অনেক সুন্দর। আমিও অনেক মেয়েকে গোলাপ ফুল দিয়েছিলাম। তাদের প্রত্যেকেই আমাকে চিঠি দিয়েছিল।

যাকে ভালোবাসি শুধু তাকেই গোলাপ ফুল দিতে হবে এমন কোন কথা নেই। অনেকদিন হল কোন ভাল মুভি দেখিনা। একজন মহিলা বাচ্চা নিয়ে মোটরসাইকেলের পেছনে যাচ্ছেন। এটা অবশ্যই কোন ভাল ব্যাপার নয়।

আমার অনেক ইচ্ছা অনেকগুলো ভাষা শেখার। আমি আপাতত অল্প কিছু ভাষা বুঝতে পারি। আগে একটি চাকরিতে প্রবেশ করি। তারপর না হয় ভাষা শিখব। উপহার পেতে আমি তার বাসায় গেলাম।

আমার আম্মু একটি নারিকেল নিয়ে এসেছেন। তিনি সেটি খাওয়ার উপযোগী করার চেষ্টা করতেছেন। সেটি থেকে আমরা কিছু পানি পাবো। অবশ্যই সামান্য পানি। সাধারণত সেই পানি সুপেয় হয়।

ডাক্তাররা প্রায় সময় এসব পানি খেতে বলেন। আমরা অনেক দিন ধরেই কম দামে নারিকেল খুজতেছি। একজন দাদু আছেন যিনি নারিকেলের ব্যবসা করেন। তার সঙ্গে দেখা হলে আমি অনেক মজা করি।

তাকে আমি ছোটবেলা থেকেই সাইকেল চালাতে দেখি। তিনি অনেকটা এক সাইডে বাঁকা হয়ে সাইকেল চালান। এই ঈদে নারিকেল এর দাম কিছুটা কমেছে।

আমাদের বাসায় এখনো পানির পাত্র লাগানো হয়নি। আমরা আগে আমাদের বাসা নতুন করে তৈরি করব। তারপর পানির একটি ভালো পাত্র বসাবো। যেন ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় অনেক পানি ধরে রাখতে পারি।